FeaturedTech News

চিকিৎসকরাও রেহাই পাচ্ছেন না কোভিড-১৯ টিকা নিয়ে ভুয়া তথ্যের প্রচরণা থেকে ।

চিকিৎসকদের জন্য নির্মিত যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে নানা ভুল তথ্য।

চিকিৎসকদের মধ্যে ‘ইন্ডাস্ট্রি নেটওয়ার্কিং টুল’ হিসেবে পরিচিতি আছে ‘ডক্সিমিটি’র। সাইটটিতে নির্ভরযোগ্য সংবাদ সংস্থার খবর ও গবেষণা প্রতিবেদন শেয়ার করেন চিকিৎসকরা। প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট এনগ্যাজেট জানিয়েছে, ওই সাইটের মন্তব্য বিভাগেও ছড়িয়ে পড়েছে টিকার নিরাপত্তা, মাস্কের কার্যকারিতা এবং স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাসহ নানা বিষয় নিয়ে ভুয়া খবর।

মন্তব্য বিভাগে ভুয়া খবর আর ভুল তথ্য দিয়ে যারা কমেন্ট করছেন, তাদের একটা অংশ নিজেদের আসল নাম ব্যবহার করছেন এবং তাদের যাচাইকৃত চিকিৎসা সনদ আছে বলে জানিয়েছে সাইটটি।

অন্যদিকে ‘ডক্সিমিটি’র দাবি, টিকা বিরোধী কন্টেন্টের মতো জনস্বাস্থ্য নীতিমালার বিপরীত কন্টেন্ট ঠেকাতে স্পষ্ট নীতিমালা আছে সাইটটির। কমেন্টের সত্যতা “কঠোরভাবে” যাচাই করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের আলাদা দল থাকার দাবিও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরপরেও সাইটটির মন্তব্য বিভাগে ভুল তথ্য ও ভুয়া খবরের ছড়াছড়ির কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি তারা। কবে নাগাদ ওই কমেন্টগুলো মুছে দেওয়া হবে, সে বিষয়েও মুখ খোলেনি ডক্সিমিটি।

চিকিৎসকদের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর ঘটনা আদতে কন্টেন্ট মডারেশন জটিলতার উপরই আলোকপাত করে বলে জানিয়েছে এনগ্যাজেট। টিকা বিরোধী খবর ও ভুল তথ্যের প্রচারণা বন্ধে আলাদা নীতিমালা আছে সিংহভাগ সামাজিক মাধ্যম ও ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাগুলোর। তবে ওই নীতিমালা কার্যকর করাই সবচেয়ে জটিল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন।

তবে ডক্সিমিটি’র জটিলতা আলাদা গুরুত্বের দাবি রাখে বলে মন্তব্য উঠে এসেছে এনগ্যাজেটের প্রতিবেদনে। সাইটটির ব্যবহারকারী সংখ্যা সীমিত হলেও, অংশগ্রহরকারীরা সংশ্লিষ্টখাতের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের হওয়ায় তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি আরও নির্ভরযোগ্য হওয়ার কথা ছিলো। এমন পরিস্থিতিতে, সামাজিক মাধ্যমগুলোর তথ্য যাচাইয়ের নীতিমালা কার্যকর করতে আরও লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছে এনগ্যাজেট।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *